অঞ্চলের উন্নয়নে বিসিআইএমইসি খুবই গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি

1
247

ঢাকা: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, অঞ্চলের লাখ লাখ দরিদ্র এবং প্রান্তিক ও জাতিগত গোষ্ঠীর মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ, চীন, ভারত, মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর (বিসিআইএম-ইসি) খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমরা বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমারকে এক সঙ্গে কাজ করতে দেখেছি। রাষ্ট্রপতি আজ এখানে এ্যাপেক সিইও শীর্ষ সম্মেলনের অংশ হিসেবে কানেকটিভিটি পার্টনারশিপ শক্তিশালীকরণ সম্পর্কিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে ভাষণ প্রদানকালে একথা বলেন। বেইজিংয়ের ফাং হুয়া হলে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগতিক দেশ চীনসহ পাকিস্তান, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, মঙ্গোলিয়া, লাওসর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা এবং জাতিসংঘ ইসকাপ প্রধান অংশ নেন।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, চীনের জন্য বিসিআইএম-ইসি প্রাচীন দক্ষিণাঞ্চলীয় সিল্ক রোড পুনরায় চালু করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এবং অন্য দেশগুলোর জন্য বিসিআইএম-ইসি সংযোগ অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ সৃষ্টি হবে, টেকসই উন্নয়নের দ্বার উন্মোচিত হবে এবং জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। অপরদিকে সরাসরি ভৌগোলিক ও কমিউনিটি যোগাযোগ স্থাপন হবে। এতে এই অঞ্চলের লাখ লাখ দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও জাতিগত জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ সৃষ্টি হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, বিসিআইএমর মধ্যে সাব-রিজিওনাল অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ক্ষেত্রে এটি হবে একটি উদ্যোগ।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বল্প উন্নত দেশগুলোর জন্য সমর্থন প্রয়োজন। তিনি বলেন, দিন শেষে সব প্রতিষ্ঠানকে পরিকল্পনা নিতে হবে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার, পারস্পরিক সুবিধা ও পারস্পরিক সুবিধার সমবণ্টনের নীতি গ্রহণ করতে হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, চীনের প্রবৃদ্ধি অর্জন করা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা সব সময় আঞ্চলিকতায় বিশ্বাসী। আমরা আমাদের নিজস্ব বন্দরে সংযোগে এবং আমাদের সাব-রিজিওনে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে আগ্রহী। রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা মনে করি, সকল ক্ষেত্রে আমাদের সংযোগ প্রয়োজন। আমরা ধারণা, জ্ঞান, সংস্কৃতি, সড়ক, রেল ও বিমানের মাধ্যমে পরিবহন, প্রযুক্তি, জনগণের চলাচল, পণ্যসেবা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যোগাযোগ বাড়াতে চাই।

Print Friendly, PDF & Email

1 মন্তব্য

Comments are closed.