সিলেট: সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের ফলাফল শুক্রবার ভোর রাত ৫টা ২০ মিনিটের সময় আইনজীবী সমিতির নির্বাচন কর্মকর্তা মুহতাদিনুর রহমান সেলিম ঘোষণা করেন। নির্বাচনে একে এম শমিউল আলম সভাপতি ও অশোক পুরকায়স্থ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
সভাপতি পদে একেএম শমিউল আলম পেয়েছেন ৭৩৯ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এএফ এম রহুল আনাম চৌধুরী মিন্টু পান ৩০৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে অশোক পুরকায়স্থ পান ৬১১ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল হাই কাইয়ূমের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ২৬৬, ওই পদের অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী হোসেন আহমদ ১৬২ ও সুলতানা রাজিয়া ডলি ৯ ভোট পান।
সহ সভাপতি-১ পদে ৪১২ ভোট পেয়ে মো. আব্দুস শহীদ ও সহ সভাপতি-২ পদে মো. আবদুল হাই ৪৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সহ সভাপতি-১ পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী অশেষ কর ৩৪৪, ফারুক আহমদ চৌধুরী ২৪২, সহ সভাপতি-২ পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী মো. জহুরুল ইসলাম ২৭৭ ও মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন ২২২ ভোট পান।
যুগ্ম সম্পাদক পদে মোস্তফা দিলওয়ার আল-আজহার ৪০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রাথীর্ মো. জোবায়ের বখত জুবের ৩৭৯ ভোট পান। এই পদে জোহরা জেসমিনের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ২৫০।
লাইব্রেরী সম্পাদক পদে নির্বাচিত মো. তাজরীহান (জামান) ৪৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রার্থী মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম (জাহাঙ্গীর) ৪০৪ ভোট পান। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অপর প্রার্থী মো. মশহুদ আহমদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ১৩১।
সমাজ বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. ছালেহ আহমদ (হীরা)। তিনি পেয়েছেন ৪৭০ভোট এবং নিকটতম প্রার্থী আজাদ আহমদ পেয়েছেন ৩৬৫। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অপর প্রার্থী মো. মিজানুল হক (মিজান)-এর প্রাপ্ত ভোট ১১১ এবং জামিল আহমদের প্রাপ্ত ভোট ৭৮।
নির্বাচন কর্মকর্তা পদে নির্বাচিত অঞ্জন দে ৩৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. কামরুজ্জামান পেয়েছেন ৩১৬। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অপর প্রার্থী মো. আলী হায়দার ফারুক ২৮২ ভোট ও রফিক আহমদ ২০ ভোট পেয়েছেন।
সহ-সম্পাদক ইকবাল আহমদ ৫৫০ ও মো. হীরা মিয়া ৪৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মোছাম্মৎ দিলরুবা বেগম (কাকলী) ৪০৮ ও মো. জয়নুল হোসেন রুবেল ২৯৬ ভোট পান।
সদস্য পদে নির্বাচিতরা হচ্ছেন, মো. আজিজুর রহমানের প্রাপ্ত ভোট ৮০৬, মো. মনির উদ্দিন ৮০২, মো. মিনহাজ উদ্দিন খান ৭৩৯, আখতার হোসেন খান ৭০৬, কিশোর কুমার কর ৬৫৫, মিছবাহ উদ্দিন চৌধুরী ৬৫১, প্রশান্ত কুমার পাল ৬৩১, মো. আলী হায়দার ৫৯১, মো. এমদাদুল হক ৫৮৯, মোহাম্মদ আব্দুল মালিক ৫৪৪ এবং ড. দিলীপ কুমার দাশ চৌধুরী ৫৪১ ভোট।
সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মোর্তাজা আহমদ ৫০৮, অরবিন্দ পাল ৪৭৭, এসএমএ আওয়াল (সাহাব উদ্দিন) ৪৬২ এবং মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ৪১৬ ভোট পান।