আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী অভিলাষ পূরণে মদদ দিচ্ছে গুগল

0
299

Logo Google 01ওয়াশিংটন: অনুসন্ধানী ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বলেছেন, সার্চ ইঞ্জিন গুগলের চেয়ারম্যান এবং সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিখ স্কিমিট মার্কিন সরকারের অনুচর এবং আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী অভিলাষ পূরণে মদদ দিচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া, গুগোলকে বৃহৎ এবং খারাপ প্রতিষ্ঠান হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন অ্যাসাঞ্জ।
‘হোয়েন গুগল মিট উইকিলিকস’ নামের আসন্ন প্রকাশিতব্য বইয়ে এ কঠোর সমালোচনা করেছেন অ্যাসাঞ্জ। তার এ বইয়ের অংশ বিশেষ মার্কিন খ্যাতনামা সাপ্তাহিক নিউজউইক প্রকাশ করেছে। মাগনা নানা সেবা দিয়ে গুগলের একটি বিশেষ ভাবমর্যাদা তৈরি হয়েছে। কিন্তু গুগলের প্রচলিত এই ভাবমর্যাদায় স্পষ্ট ভাষায় আঘাত করেছেন অ্যাসাঞ্জ। তিনি বলেন, কেউই স্বীকারই করতে চান না যে গুগল একটি বৃহৎ এবং খারাপ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ে চেয়ারম্যান এরিখ স্কিমিট মার্কিন ক্ষমতার কাঠামোর সঙ্গে গুগলকে একত্রীভূত করেছেন বলে অভিযোগ করেন অ্যাসাঞ্জ। তিনি আরো বলেন, আর এ সময়ে ভৌগলিক ভাবে আগ্রাসী মেগাকরপোরেশনে পরিণত হয় গুগল।
এ ছাড়া, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর যে সব দেশ এরিখ স্কিমিট সফর করেছেন তার তালিকা তুলে ধরেন তিনি। স্কিমিটকে গুগলের ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। বিশ্ব জুড়ে প্রভাব বিস্তার করে গুগল শেষপর্যন্ত সাম্রাজ্যে পরিণত হতে চাচ্ছে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন অ্যাসাঞ্জ।
বিশ্বব্যাপী মার্কিন আগ্রাসী তৎপরতা ও অপকর্ম ফাঁস করে দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়া অ্যাসাঞ্জ গত দু’বছরের বেশি সময় ধরে বৃটেনের ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান করছেন।
কথিত ধর্ষণের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃটিশ সরকার অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করলে ২০১২ সালের জুন মাসে তিনি ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয় নেন। টানা দু’বছর তার পেছনে নজরদারি বাবদ বৃটিশ জনগণের দেয়া কর থেকে এক কোটি ১২ লাখ ডলার ব্যয় করেছে দেশটির সরকার। সূত্র: আইআরআইবি

Print Friendly, PDF & Email