ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে শহীদ কামারুজ্জামানের রক্তের বদলা নেয়া হবে

0
195

Logo Jamat 01
সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন, অবৈধ সরকার দেশ থেকে ইসলামী আন্দোলনকে নিশ্চিহ্ন করতেই জামায়াতের সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে বিচারের নামে হত্যা করেছে। যুগে যুগে ইসলামী আন্দোলনকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র হয়েছে। ইসলামী নেতৃত্বকে শহীদ করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীকালে জালিমরাই ধ্বংস হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নেতৃত্বশুন্য করতেই বায়বিয় ও বনোয়াট অভিযোগে কামারুজ্জামানকে ফাসী দিয়ে শহীদ করা হয়েছে। ইতিহাসের নিকৃষ্ঠতম মিথ্যাচারের এই বিচার প্রক্রিয়ায় জড়িতদের জাতি কোন দিন ক্ষমা করবেনা। বাংলার সবুজ ভু-খন্ডে ইসলামী সমাজ বিনির্মানের মাধ্যমে শহীদ কামারুজ্জামান সহ সকল শহীদদের রক্তের বদলা নেয়া হবে। দ্বীনের জন্য যারা হাসিমুখে ফাঁসীর দড়িঁ গলায় পড়ে শাহাদাতকে আলিঙ্গন করতে পারে তাদের আদর্শকে পরাজিত করার সাধ্য কোন ইসলামী বিরোধী বাতিল শক্তির নেই। সরকারের বাধা ও ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ তৌহিদী জনতা গায়েবানা জানাযায় অংশ নিয়ে প্রমান করেছে কামারুজ্জামানকে আদর্শিক কারনে শহীদ করা হয়েছে। এ মাটিতেই যে কোন মুল্যে কামারুজ্জামানের শেষ ইচ্ছার স্বপ্নের কোরআনের সমাজ বিনির্মান করা হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।
সোমবার জামায়াতের সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে বিচারিক হত্যার প্রতিবাদে জামায়াত কেন্দ্র আহুত সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলাকালে সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্টে পিকেটিং শেষে মিছিল সমাবেশ করেছে সিলেট মহানগর জামায়াত। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা আব্দুল আজিজ, রফিকুল হক, ছাত্র শিবির নেতা নজরুল ইসলাম ও মামুন প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ- মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে বিচারিক হত্যার প্রতিবাদে জামায়াত আহুত সোমবারের সকাল-সন্ধ্যার হরতাল সফল করায় পরিবহন মালিক, শ্রমিক, ব্যাবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ সিলেটবাসী কে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শুধু একজন কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়নি, হত্যা করা হয়েছে একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রাজনৈতিক, বুদ্ধিজীবি ও সাংবাদিক ব্যাক্তিত্বকে। আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যার্থ হয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে একজন কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছে ঠিকই কিন্তু সারাবিশ্বে কোটি কোটি তৌহিদী জনতার কামরুজ্জামান হয়ে উাার শপথ নিয়েছে। শহীদ কামারুজ্জামান শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা মুসলিম বিশ্বের ইসলামী আন্দোলনের জন্য প্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবেন। সকল বাধা অতিক্রম করে শহীদদের রক্তের সিঁিড় বেয়ে সময়ের ব্যাবধানে বাংলাদেশে কোরআনের রাজ কায়েম হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।

Print Friendly, PDF & Email