এয়ারটেলকে বিশেষ সুবিধা দিতে ভারতীয় দূতাবাসের চিঠি

0
316

ঢাকা: মোবাইল ফোন অপারেটর এয়ারটেলের জন্য বাংলাদেশের বাজারে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে চিঠি লিখেছে ভারতীয় দূতাবাস। সম্প্রতি ডাক, টেলিযোগাযাগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে এই চিঠি পাঠায় ভারতীয় দূতাবাস। পরে ব্যবস্থা নিতে সেটি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) পাঠানো হয়েছে।

সূত্র বলছে, চিঠিতে সরকারের কাছে মোবাইল খাতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। চিঠির পর খানিকটা নড়েচড়েও বসেছেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের কর্মকর্তারা। এমনকি বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস এয়ারটেল অফিস ঘুরেও আসেন।

অন্যদিকে ঠিক একই কথা বলেছেন সম্প্রতি ঢাকা সফর করে যাওয়া এয়ারটেলের শীর্ষ দুই ভারতীয় কর্মকর্তা। এ মাসের শুরুতে ঢাকায় আসেন ভারতী এন্টারপ্রাইজের ভাইস চেয়ারম্যান রাজন ভারতী মিত্তাল এবং এক্সিউটিভ চেয়ারম্যান আকিল গুপ্তা।

তারা দু’জন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তারানা হালিম এবং বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোসের সঙ্গে দেখা করেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার কথা বলেন।

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার জন্যে তারা গ্রামীণফোনকে ‘সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার’ অপারেটর ঘোষণা করাসহ ইন্টার-কানেকশন রেট বেশ খানিকটা কমানোর কথা বলেন।

ইতিমধ্যে এ দুটি দাবি বাস্তবায়নেরও পথে এগুচ্ছে সরকার এবং বিটিআরসি।

গ্রামীণফোনকে ‘সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার’ অপারেটর ঘোষণা করলে তখন গ্রামীণফোন অনেক সেবাই দিতে পারবে না।

অন্যদিকে ইন্টার-কানেকশন রেট কমানো হলে গ্রামীণফোনের চেয়ে ছোটো অপারেটরগুলো লাভবান হবে।

বর্তমান নিয়ম অনুসারে এক অপারেটরের কল অন্য অপারেটরে গেলে তার জন্য যে অপারেটরে কল যায় তাকে প্রতি মিনিটে ১৮ পয়সা দিতে হয়। আর এক মিনিটের জন্যে চার পয়সা দিতে হয় ইন্টার-কানেকশন এক্সচেঞ্জকে।

এয়ারটেল কর্তৃপক্ষ এই খরচ নামিয়ে আনতে বলেছে।

সূত্র জানিয়েছে, ১৮ পয়সার জায়গায় ১৩ পয়সা এবং ৪ পয়সার জায়গায় ৩ পয়সা করার আলোচনা হচ্ছে। আর চলতি সপ্তাহেই এ বিষয়ে বৈঠকে হবে।

তবে বিষয়টিতে আপত্তি জানাচ্ছে গ্রামীণফোন। এদিকে আবার কয়েকটি শর্ত জুড়ে দিয়ে কথা বলছে রবি। তবে দুটি অপারেটরের কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি।

Print Friendly, PDF & Email