কবে নিরাপদ রাস্তা হবে?

0
151

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী:

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

রোজার পুরো মাসই লেখা হয়নি। না লিখতে পেরে ভীষণ জ্বলন অনুভব করেছি। পাঠকের অনুযোগ অভিযোগ পেয়েছি বেশুমার। কিন্তু তবু উপায় ছিল না। শরীর মন কোনোটাই সাহায্য করেনি। নতুন নতুন জায়গায় থাকা, অন্যের বাড়িতে খাওয়া শরীরের ওপর যে কোনোই প্রভাব পড়েনি তা বলা মুশকিল। ২৮ জানুয়ারি মোহাম্মদপুরের বাড়ি ছেড়েছি। সে বাড়িতে আজো যাওয়া হয়নি। ছেলেমেয়ের সাথে দেখা হয় অতিথির মতো। ঈদুল ফিতরে টাঙ্গাইলে ছিলাম। ছেলেমেয়েরাও ছিল। কুঁড়ির ব্যারিস্টারি পড়তে বিলেতে যাওয়ার কথা, কুশিও বেশ টানটান বড় হয়ে গেছে। লম্বায় মায়ের সমান। শান্তির জন্য রাস্তায় বেরিয়েছি। সরকারের দিক থেকে তেমন মনে না হলেও সাধারণ মানুষ শান্তির অন্বেষণে সক্রিয় হচ্ছে। সাধারণ মানুষ যদি আরেকটু সক্রিয় এবং দায়িত্বশীল হয় তা হলে অনেক সমস্যাই সমাধান হয়ে যাবে। অনেক নেতানেত্রী বুঝতে চান না, হতাশ দুর্বল জাতি নিয়ে আর যা কিছু হোক গর্ব করার কিছু নেই। আমাদের গর্বের জিনিসগুলো দিন দিন কেমন যেন হারিয়ে যাচ্ছে। এক সময় যা আমরা বুক চিতিয়ে বলতে পারতাম, আজকাল সেসব মাথা নুইয়ে স্মরণ করতে হয়। নীতি আর দুর্নীতির যেন কোনো পার্থক্য নেই। সব কেমন একাকার হয়ে গেছে। যে দেশে প্রতিটি মানুষের দেশপ্রেম ছিল অহঙ্কার করার মতো, সেই দেশের অনেক মানুষ দেশপ্রেম কাকে বলে হলফ করে বলতে পারবে না।
রোজার মাস সখিপুর-বাসাইলে ছিলাম। কত ঘর, কত বাড়িতে রাত কাটিয়েছি। স্বাধীনতার পর পরের ঘরে আর এমন রাত কাটানো হয়নি। রোজার মধ্যে এক সময় মনে হচ্ছিল, প্রত্যেক মুসলমানেরই অন্তত একবার মসজিদে ইতিকাফে বসা উচিত। কেন যেন আমিও ভেতরে ভেতরে তাগিদ অনুভব করছিলাম। প্রথম স্থির করেছিলাম ২৪, ২৫, ২৬ রমজান মসজিদে কাটাব। পরে ২৪ এর জায়গায় ২৫, ২৬, ২৭ রমজান টাঙ্গাইল পুরনো কোর্ট প্রাঙ্গণের মসজিদে ইতিকাফে কাটিয়েছি। ভেবেছিলাম মসজিদে একটি কথাও বলা যাবে না। কুরআন, হাদিস, জিকির-আসকার ছাড়া কোনো দিকে ধ্যান দেবো না। কিন্তু মসজিদে গিয়ে দেখলাম একেবারে কথা ছাড়া পারা গেল না। কতজন আসছে, সালাম দিচ্ছে। আওয়াজ করে উত্তর না দিলে ১০ বার সালাম দিচ্ছে, হাত ধরে ঝাঁকাঝাঁকি করছে। জানালার ফাঁক দিয়ে, ‘এই যে স্যার, আসসালামু আলাইকুম। স্যার, সালামুআলাইকুম। ভাই, সালামালাইকুম।’ উপায় নেই উত্তর না দিয়ে। আবার দু-একজন মস্লা দিলেন মুসাফিরদের সাথে কথা বলা চলে। তবু কম কথা বলেছি। আমার আগেই একজন ২০ রমজান থেকে ইতিকাফে ছিলেন। লোকটি এক মুহূর্তের জন্য তসবিহ ছাড়েননি। কিন্তু অফিসের কাগজপত্র, টেলিফোন সবই ব্যবহার করছিলেন। দ্বিতীয় দিন আমি বলায় তিনি শান্ত হয়েছিলেন। টেলিফোন, কাগজপত্র ছেড়ে দিয়েছিলেন। মনে হয় গত ৪০ বছর খবরের কাগজ পড়িনি এমন দিন যায়নি। ইতিকাফের দিনগুলোতে যেমন ফোন বাইরে ফেলে গিয়েছিলাম, তেমনি খবরের কাগজের দিকেও তাকাইনি। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি, জগতের সব কিছু থেকে যেন তিনি দূরে রাখেন। তাই ওই তিন দিন নিজেও কিছু জানিনি, অন্যেরাও জানার চেষ্টা করেনি। তবে একদল কর্মী মসজিদের বাইরে রাতদিন ছিল। সেহরি, ইফতারে বড় কষ্ট করেছে। আল্লাহর নৈকট্য পেতে তারা রোজা রেখেছে।
পয়লা জুলাই বহু দিন পর কাউলজানির শাহাদত আলী চৌধুরীর বাড়ি গিয়েছিলাম। বড় সরল সোজা আমুদে মানুষ ছিলেন তিনি। স্ত্রী রওশন আরা মারা যাওয়ার পর একেবারে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। মনে হয় তার সাথে শেষ দেখা ছিল তাই তার বাড়ি গিয়েছিলাম। অসুস্থ মানুষ তারপরও হেঁটে পাশের ঘরে আমার সাথে দেখা করেছিলেন। কথাবার্তায় কোনো জড়তা ছিল না। ২২ জুলাই তিনি জগতের মায়া ত্যাগ করে পরপারে চলে গেছেন। সময়ের হেরফেরে জানাজায় শামিল হতে পারিনি। কিন্তু বাদ আসর তার পরিবার পরিজনদের দেখতে কাউলজানি গিয়েছিলাম। বহু দিন পর কাউলজানি গোরস্থান মসজিদে আসর নামাজে শেখ শাজাহানের সাথে দেখা। কেমন যেন ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। শাহাদত আলী চৌধুরীকে আল্লাহ যেন বেহেশতবাসী করেন।
রোজার মাসে কত কিছু ঘটেছে। সব কিছু বলতে গেলে এক মহাকাব্য হবে। কিন্তু তবু রাজন হত্যা আমাকে ভীষণ নাড়া দিয়েছে। এমন দলবদ্ধভাবে কেউ অবুঝ শিশুকে মারতে মারতে মেরে ফেলতে পারে- সুস্থ মস্তিষ্কে ভাবা যায় না। কী এক গজবের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি! আবার যে পুলিশেরা স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রথম অস্ত্র ধরেছিল, সেই পুলিশই নাকি অর্থের বিনিময়ে রাজনের হত্যাকারীদের সহযোগিতা করেছে, ভাবতে বড় অবাক লাগে। এই তো সেদিন আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রমোশন পেয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছেন। ভদ্রলোককে মন্ত্রী হওয়ার আগে খুব সোজা সরল মানুষ হিসেবে জানতাম। মন্ত্রী হওয়ার পরও যে দু-চারবার কথা হয়েছে তাতে আচার ব্যবহারে তেমন পরিবর্তন দেখিনি। যেকোনো রাষ্ট্রে ধীরস্থির বিবেকবান মানুষকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জল্লাদ হলে সে রাষ্ট্রের অমঙ্গল অবশ্যম্ভাবী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রমোশন পাওয়ার সাথে সাথে অমন অভাবনীয় ঘটনা ঘটায় সারা দেশ মর্মাহত। শুনছি দায়ী পুলিশদের ক্ষমা করা হবে না। দেখা যাক কতটা কী হয়! তবে সেদিন ডেমরার রাস্তায় পুলিশের সাবইন্সপেক্টর ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা পড়ে পুলিশের সর্বনাশ করেছে। মানুষ কার ওপর আস্থা রাখবে? মামলা মোকদ্দমা তদন্তের কাগজপত্র নিয়ে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যদি লুট বা ডাকাতি করে তা হলে মানুষ যাবে কোথায়? ঠিক এমনি ঘটনা ঘটেছিল ’৭৪ সালের মার্চে কালিহাতির রামপুরে। বল্লা পুলিশ ফাঁড়ির কিছু পুলিশ দলবেঁধে সমৃদ্ধিশালী রামপুরে ডাকাতি করতে গিয়ে জনতার হাতে পিটুিন খেয়ে এক পুলিশ মারা গিয়েছিল। সে কারণে পর দিন সকালে বল্লা ক্যাম্পের একদল পুলিশ কোকরাইল-রামপুর গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছিল। আমি সেদিন আজমীরে ছিলাম। এখনকার মতো তখন উন্নত যোগাযোগ ছিল না। সন্ধ্যায় ঢাকা ফিরে গভীর রাতে রামপুর-কোকরাইল জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার খবর পাই। সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর আমি সাত বছরের ছোট। কিন্তু জ্ঞান হওয়ার পর থেকে দেখেছি, যখনই সুযোগ পেয়েছেন তখনই আমায় দারুণভাবে আক্রমণ করেছেন। সেটা কথায় হোক বা অন্য কোনোভাবে। তিনি তখন কালিহাতির এমপি, তার নির্বাচনী এলাকায় অমন অঘটন ঘটায়ও তিনি আমায় আক্রমণ করেন। তার প্রথম কথা, ‘তোমার সরকারের পুলিশেরা রামপুর-কোকরাইল পুড়ে ছারখার করেছে। এখনো মানুষ মারছে। তারা কি মুক্তিযুদ্ধে তোমাকে সাহায্য করেনি?’ পর দিন সকালে ডিসি, এসপি এবং তাকে নিয়ে রামপুর-কোকরাইল গিয়েছিলাম। বীর বিক্রম সবুর খান, এনায়েত করিম ও অন্যান্য বেশ কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধাও ছিলেন। আরো ছিলেন বাসাইলের এমপি অধ্যক্ষ হুমায়ুন খালিদ। আমরা যখন কালিহাতি বল্লা হয়ে রামপুর-কোকরাইল যাচ্ছিলাম তখনো একদল পুলিশ রামপুরে লুটপাট করে বল্লা ফিরছিল। আমরা রামপুর পৌঁছলে অসংখ্য মহিলা কান্নাকাটি করে বলে, ‘এইমাত্র বল্লার পুলিশেরা লুট করে গেল।’ আমরা সাথে সাথে তাদের পিছু ধাওয়া করি। ১৫-১৬ জন পুলিশ ছিল। আমাদের তাদের দিকে যেতে দেখে লুটের মাল রাস্তার পাশে এদিক ওদিক ছুড়ে ফেলে। আমরা পুলিশের অস্ত্রশস্ত্র জব্দ করে গাড়িতে তুললে আশপাশে তল্লাশি করে বেশ কিছু সোনাদানা, ঘড়ি, টাকাপয়সা পাই- যা পুলিশরা ফেলে দিয়েছিল। ডিসি, এসপির সামনে তারা সেসব স্বীকারও করে। অস্ত্রসহ পুলিশদের সাময়িক বরখাস্ত করে থানায় পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে যদিও সেই ঘটনার সাথে জড়িত সব পুলিশ চাকরি হারিয়েছিল। দু’জনের খুনের দায়ে জেল হয়েছিল। এখন তো আর তেমন নেই। এখন কোথায় আইন? সব কিছু কেমন যেন ইচ্ছাস্বাধীন। রামপুরের ঘটনার সময় বঙ্গবন্ধু অপারেশনের জন্য রাশিয়ায় ছিলেন। সেখান থেকেই তিনি আমায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ফোন করেছিলেন। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন মনসুর আলী। বড় ভালো মানুষ ছিলেন তিনি। তার সরকারি বাড়ির দোতলা থেকে বঙ্গবন্ধুর সাথে টেলিফোনে কথা হয়। সেই অনুসারে পর দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আমাকে নিয়ে রামপুরে যান এবং পুলিশের বিচারসহ সাধ্যমতো যা করার করেন। শুনেছি, রাজনের বাড়িতে গিয়ে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হত্যাকারীদের আইনানুগ বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। তার আশ্বাসে আস্থা রাখতে চাই। কারণ ’৭৪-এর সেই উত্তেজনাকর অবস্থাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর আশ্বাসের প্রতি আফ্রোশিয়া ল্যাটিন আমেরিকার দরিদ্র মানুষের মুক্তির দূত মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আস্থা রেখেছিলেন। আমরাও আস্থা রাখতে চাই বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি। যে যাই বলুক রাষ্ট্র চালাতে ত্যাগী, ন্যায়পরায়ণ পুলিশের দরকার। ডাকাত পুলিশের নয়।
চলচ্চিত্র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বহু দিন সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ নিয়ে আন্দোলন করছে। খুব একটা বেশি মানুষের দৃষ্টি কাড়তে পারেনি। কিন্তু বিষয়টা খুবই জরুরি। দেশে সড়ক দুর্ঘটনা এক মহামারী আকার ধারণ করেছে। এটা প্রতিরোধ করা যে খুব একটা কঠিন তেমন নয়। উন্নত দেশে ১০-২০টা ডক্টরেট ডিগ্রি হাসিল করা যত সহজ ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করা তত সহজ নয়। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক মন্ত্রী গর্ব করে বলেন, ‘গরু ছাগলের পার্থক্য বুঝতে পারলেই তাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে।’ এরচেয়ে বর্বরতা অসভ্যতা আর কী হতে পারে? আমাদের দেশে এমন সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ নানা গতির নানা গাড়ি অবাধে সব সড়কে চলাচল করে। প্রশিক্ষিত চালক তৈরির আগেই হাজার হাজার গাড়ি আমদানি। ছোট বড় যে ধরনের গাড়ি হোক আনলেই হলো। কেনার লোকের অভাব নেই, চালকের তো কথাই নেই। ইদানীং সিএনজি এবং ব্যাটারির গাড়িতে দেশ ছেয়ে গেছে। সিএনজির সাথে পাল্লা দিয়ে আমার জিপ পারে না। কোনো সরু পুলে আমরা গাড়ি উঠাতে ভয় করলেও সিএনজি বা ব্যাটারিচালিত টমটম হুট করে তুলে দিতে চিন্তা করে না। কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা তৈরি হয়। রাস্তা নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই দু’পাশের অর্ধেক দোকানপাট, হাটবাজার, পরিত্যক্ত গাড়ি-ঘোড়ার দখলে চলে যায়। আগের মতো সেই সরু রাস্তাই পড়ে থাকে- এসব দিকে কেউ দৃষ্টি দেয় না।
থানার দারোগা পুলিশ থাকে তাদের ধান্ধায়, সড়ক নির্মাণের সাথে সংশ্লিষ্টরা থাকে পার্সেন্টেজের আশায়। কার গোয়ালে কে ধোঁয়া দেয়? সড়ক ও সেতুমন্ত্রী সেদিন এক হৃদয়স্পর্শী কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ফুল নিতে আসিনি।’ আমাদের দেশের চাটুকাররা কী পরিমাণ অনুভূতিহীন, দুর্ঘটনাস্থলে মন্ত্রী গেলে দাঁত কেলিয়ে সেখানেও ফুল দিতে যান। মানুষকে বাঁচাতে হলে রাস্তাঘাটে শৃঙ্খলা আনতে হবে। কারো মুখ দেখলে চলবে না। রাস্তাঘাট যেমন ভালো হওয়া দরকার, তেমনি প্রশিক্ষণহীন চালকের হাত থেকে মানুষকে বাঁচানো দরকার। ছোট বড় নতুন পুরনো সব গাড়ির এক সাথে তালগোল পাকানো চলবে না। বড় রাস্তায় ছোট গাড়ির চলাচল নিষিদ্ধ করতে হবে।
হিসাব করে দেখা গেছে, বড় গাড়ির জন্য ফোর লেন এক কিলোমিটার রাস্তা বানাতে যে খরচ পড়ে ছোট গাড়ির জন্য সেই টাকায় ২০ কিলোমিটার বানানো যায়। শুধু একটু যত্নবান হলেই বড় গাড়ির রাস্তার পাশে ছোট গাড়ির রাস্তা করে দেয়া যেতে পারে। যেমনটা নাটোর-বনপাড়া সড়কে খুবই কার্যকরী হয়েছে। ছোট একটি সড়ক দুর্ঘটনায় কত সোনার সংসার ছারখার হয়ে যায় কেউ ভেবে দেখে না। আশা করব, সরকার এবং সদাশয় মন্ত্রী এবার ঈদে সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য অমূল্য প্রাণ ঝরে পড়ায় এ ব্যাপারে যথাযথ দৃষ্টি দেবেন।

Print Friendly, PDF & Email