জগন্নাথপুর উপজেলার ৭ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা পরিবর্তনের আশঙ্কা

0
263

স্টাফ রিপোর্টার: প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর উপজেলার ৭ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রদানের ফরম পূরণের জন্য উপজেলা নেতাদের আরেকবার ঢাকায় ডাকা হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে প্রার্থী তালিকা হস্তান্তর করলেও শনিবার আরেকবার সাদা ফরমে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, নতুন করে তালিকা করার জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদককে ঢাকায় ডেকেছেন জেলা নেতারা। নতুন করে তালিকায় স্বাক্ষর নেওয়ায় প্রার্থী তালিকা পরিবর্তনের  আশংকা দেখা দিয়েছে তৃণমূলে।

জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার ৭ ইউনিয়নের সব কটিতেই একাধিক যুক্তরাজ্য কিংবা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সম্ভাব্য প্রার্থী রয়েছেন। নির্বাচন আসলেই এরা দেশে আসেন। এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ বা তদবির প্রবাসীদেরই বেশি। এজন্যই দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এ উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের কৌতুহলও বেশী। শনিবার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদককে উপজেলায় ডেকে মনোনয়ন ফরমে আরেকবার স্বাক্ষর নেওয়ায় তৃণমুলের নেতা কর্মীদের মধ্যে প্রার্থী তালিকা পরিবর্তন হচ্ছে এমন গুজব রটে।

উপজেলার পাটলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জমশেদ মিয়া বলেন, তিনটি ইউনিয়নে একক প্রার্থীর নাম দেওয়ায় আরেকবার তালিকা তৈরি করে দেবার জন্য ফরমে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। উপজেলার আরেকটি ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তৃণমূলের ভোটে যারা মনোনীত হয়েছিল, তাদের নামের তালিকা দেখে আগে স্বাক্ষর দিয়েছিলাম, জ্যেষ্ঠ নেতাদের কথায় এবার সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিয়েছি, এ কারণে সন্দেহ হচ্ছে প্রার্থী পরিবর্তন হয়ে যায় কী-না।

জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেছেন, আগের তালিকা নিয়ম মোতাবেক হয়নি, এজন্য আরেকবার তালিকা জমা দিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের স্বাক্ষর নিয়ে ঢাকায় যাবার জন্য।

ফোন রিসিভ না করায় এ প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমানের বক্তব্য জানা যায়নি। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন বলেন, তৃণমুলের প্রার্থী তালিকা পরিবর্তন করার জন্য নয়, নিয়ম অনুযায়ী ফরম ফিল আপ করে দেবার জন্য আরেকবার স্বাক্ষর দিয়ে তালিকা দেবার জন্য বলা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email