Home রাজনীতি জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতি মামলায় ৪ সাক্ষীকে জেরার অনুমতি

জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতি মামলায় ৪ সাক্ষীকে জেরার অনুমতি

320
0

ঢাকা: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় চার সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত হোসেন ও নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এই আদেশ দেন।

চার সাক্ষীরা হলেন- মামলার ৬ নম্বর সাক্ষী মুকবুল হোসেন অপু, ১৩ নম্বর সাক্ষী অমল কান্তি চক্রবর্তী, ১৫ নম্বর সাক্ষী মো. মামুনুজ্জামান ও ১৭ নম্বর সাক্ষী চৌধুরী এম এন আলম।

এর আগে গত ৫ জুলাই মামলার আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পাঁচ সাক্ষীকে জেরার জন্য আবেদন করেন।

আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া খালেদার পক্ষে গত বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদনটি করেন বলে সেদিন যুগান্তরকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন তিনি।

খালেদা জিয়ার পক্ষে মামলার শুনানিতে ছিলেন এ জে মোহাম্মদ আলী ও জাকির হোসেন ভূঁইয়া।

শুনানি শেষে জাকির হোসেন ভূঁইয়া জানান, রাষ্ট্রপক্ষে ৩৬ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। ওই ৩২ সাক্ষীর মধ্যে পাঁচজনকে খালেদা জিয়ার পক্ষে জেরা করা হয়নি।

তিনি জানান, গত ৫ জুলাই বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত হোসেন ও মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের আদালতে পাঁচজন সাক্ষীকে জেরার আবেদন করা হয়। এদের মধ্য থেকে ১২ নম্বর সাক্ষী মো. আমিরুল ইসলামকে বাদ দিয়ে বাকি চারজনকে অনুমতি দেয়া হয়।

পুরান ঢাকায় আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে মামলার বিচার কাজ চলছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়।

কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জমির মালিককে দেয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।

ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

Previous article৫৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
Next articleনয়াসড়কে মেজবানি রেস্টুরেন্টকে জরিমানা