দক্ষিণ সুনামগঞ্জের উপ্তিরপাড়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৫

0
164

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থেকে নাইম তালুকদার: সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাওঁ ইউনিয়নের উপ্তিরপাড় গ্রামে মামলা মোকদ্দমার জেরে ঘটিকায়,সংঘর্ষ হয়েছে। গ্রামের আব্দুল মালিকের ছেলে রুমেল মিয়া(১৩) নামে ৬ষ্ট শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্র স্কুলে যাওয়ার পথে টাইলা হাওরে একা পেয়ে তাকে বেদড়ক মারধর আহত করে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ কাচা মিয়া খেলন ম্বোর গংদের লোকজন। এ নিয়ে এলাকাবাসী সালিশের প্রস্তাব দিলেও কাচা মিয়া গংরা সালিশ অমান্য করে গ্রামের প্রতিপক্ষ মৃত আরশ আলীর ছেলে আলী আহমদ গ্রুপের লোকজনকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এরই জের ধরে বুধবার সকাল ১১টায় কাচাঁ মিয়া খেলন মেম্বার গংদের লোকজন দেশীয় ও আগ্নেয়ান্ত্র নিয়ে আলী আহমদ গ্রুপের লোকজনকে ডাকাডাকি শুরু করলে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয়পক্ষের ৫ জনগুলিবিদ্ধসহ ৫৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকিদেরকে সুনামগঞ্জ সদর ও দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় এই দুটি গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মামলা মোকদ্দমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আলী আহমদ গ্রুপের আহতরা হলেন মৃত শওকত আলীর ছেলে মোঃ হযরত আলী(৪২),সহোদর আরশ আলী(৫০),আমির আলী(৪৫),সায়েদ আলীর ছেলে ইসমাইল আলী(৩৮),তার সহোদর হাসান আলী(২৮)মমসর আলীর ছেলে ওসমান আলী(২৫),সহোদর কদর আলী(৩০),মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে এলাক মিয়া(৫২),সহোদর রুপন মিয়া(২৩),রশিদ আলীর ছেলে জিয়া হোসেন(৩০),মৃত কদর আলীর ছেলে আঞ্জব আলী(৪২) আজিজুর রহমানের ছেলে মোঃ ইমন মিয়া,মৃত মমশর আলীর ছেলে মিলন মিয়া(৩০),মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ আজিজুর রহমান,মুক্তিযোদ্ধা পছন্দর আলীর ছেলে নবীদ মিয়া,আব্দুল বারিকের ছেলে আব্দুস ছোবাহান,তার সহোদর হোসেন আলী প্রমুখ। এদিকে প্রতিপক্ষ কাচাঁ মিয়া ও খেলন মেম্বারের গ্রুপের আহতরা হলেন সিরাজ উল্ল্যার ছেলে ঝুমুর আলী,কাচা মিয়ার ছেলে জামিল মিয়া,সহোদর জিয়া উদ্দিন,মনুর উদ্দিনের ছেলে সুমন মিয়া ও আব্দুল জলিলের ছেলে নুর আলম প্রমুখ। বাকি আহতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। খবর পেয়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ আল আমীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

Print Friendly, PDF & Email