ধর্ষণের চেষ্টা, পুরুষাঙ্গ কেটে রাস্তায় ফেলে দিল উন্মত্ত জনতা

0
172

নাবালিকাকে ধর্ষণ করতে চেষ্টা করেছিল এক ব্যক্তি। কিন্তু কঠিন সাজা অপেক্ষা করছিল! ধরা পড়ে প্রথমে গণধোলাই খেল। তার পর মাংসের দোকানে টেনে নিয়ে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দিল উন্মত্ত জনতা। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে। এই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শহরের বাজার-লাগোয়া একটি মহল্লায় সাতসকালে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। মেয়েটি নিজের সম্মান বাঁচাতে প্রাণপণে চিৎকার করছিল। সেই চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। দেখা যায়, এক কিশোরীকে একটি কানা গলির ভিতর টেনে নিয়ে গিয়েছে ওই ব্যক্তি। নিজে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে মেয়েটির সঙ্গে অভব্য আচরণ করছে। টানাহ্যাঁচড়ার ফলে কিশোরীর পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয়েছিল। এই দৃশ্য দেখে ক্ষেপে যায় জনতা। নগ্ন অবস্থাতেই ওই ব্যক্তিকে টেনে বের করা হয় বড় রাস্তায়। শুরু হয় গণধোলাই। প্রথমে কিল-ঘুষি-লাথি। তার পর বাঁশ দিয়ে পেটানো। পেটাতে পেটাতে তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় একটি মাংসের দোকানে। সেখানে চেপে ধরে মাটিতে শুইয়ে দেয়া হয়। তার পর চপার দিয়ে কেটে দেয়া হয় লোকটির পুরুষাঙ্গ এবং তা ছুড়ে ফেলে দেয়া হয় রাস্তায়।
খবর পেয়ে পুলিশ এলে তাদের ঘিরে ধরে একপ্রস্থ বিক্ষোভ শুরু হয়। অনেক কষ্টে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ব্যক্তিটির নাম সুরেশ কুমার। বয়স ৪০ বছর। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় ব্যবসায়ী আমির ধাওয়ান বলেন, ‘রোজ শহরে ইভটিজিং, শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটছে। পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমাদের ঘরের মেয়েরা বাড়ি থেকে বেরোতে পারছে না ভয়ে। যারা এ সব করবে, তাদের এই শাস্তিই একমাত্র প্রাপ্য। এমন হলে ভয়ে আর কেউ মেয়েদের সঙ্গে বদমাইশি করতে সাহস পাবে না।’

Print Friendly, PDF & Email