নিউ ইয়র্কে তোপের মূখে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দিন

0
150

জ্যামাইকা: নিউ ইয়র্কে বন্ধুর জানাজা নামাজে যোগ দিতে এসে বাংলাদেশী কমিউনিটির তোপের মূখে পড়েন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দিন আহম্মেদ। শুক্রবার নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে জুম্মার নামাজ শেষে বন্ধু আবদুল মুনিম চৌধুরীর জানাজার নামাজ পূর্বে বক্তব্য দানকালে এঘটনা ঘটে।

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টাওে প্রতিশ্রক্রবার দু’টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ড. ফখরুদ্দিন আহম্মেদ তাঁর বন্ধু আবদুল মুনিম চৌধুরীর জানাজায় যোগ দিতে একাই মসজিদে আসেন। পরে জুম্মার প্রথম জামাত শেষে মসজিদ কমিটি সেক্রেটারি আক্তার হোসেন ঘোষনা দেন এখন আপনাদেও সামনে বক্তব্য রাখবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও আবদুল মুনিম খানের বন্ধু ড. ফখরুদ্দিন আহম্মেদ। ঘোষনার সাথে সাথেই মসজিদ জোড়ে কানাঘোষা শুরু হয়। এসময় তরিঘরি করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি। ড. ফখরুদ্দিন তাঁর বক্তব্যে তাঁর নিজের জন্য ও বন্ধুর জন্য দোয়া কামনা করেন। পরে মসজিদ কমিটির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে ইমাম শমসে জানাজা নামাজের ইমামতি করেন। জানাজা নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হতেই গালাগালি দিয়ে তেরে আসেন কয়েকজন বাংলাদেশী মুসল্লি। তারা বলতে থাকেন বাংলাদেশকে ৫০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে এই ফখরুদ্দিন। তাঁর দোয়া চাওয়ার কোনো অধিকার নেই।

এঘটনায় তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বাংলাদেশ আমেরিকান এ্যাডভোকেসি গ্রুপের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কামাল ভূইয়া বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর কমবেশী ভূল থাকতেই পারে। কিন্তু এই অযুহাতে কেউ মসজিদে আসলে তাকে গালাগালি করাটা অশোভন কাজ বলে মনে করি।

উল্লেখ্য ২০০৯ সাল থেকে ড. ফখরুদ্দিন আহম্মেদ যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে বসবাস করলেও এই প্রথম জনসন্মুখে আসলেন। বিশেষ কওে প্রথমবারের মতো নিউ ইয়র্কে এই প্রথম তাকে দেখা গেল। মসজিদ থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার সময় এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। স্যার দেশ কেমন আছে? জবাব না দিয়েই দ্রুত মসজিদ এলাকা ত্যাগ করেন ড. ফখরুদ্দিন আহম্মেদ।

Print Friendly, PDF & Email