প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল নিয়ে দেয়া বক্তব্যে অনড় টিআইবি

0
137

Logo TIB 01
ঢাকা: প্রধানমস্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সংগৃহীত ১০৮ কোটি টাকা অব্যবহৃত বলে দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে অনড় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি।
বিষয়টি অস্বীকার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে দেয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যায় বুধবার এক বিবৃতিতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে টিআইবি।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ‘তৈরি পোশাক খাতে সুশাসন বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ: গত এক বছরের অগ্রগতি পর্যালোচনা’ শীষর্ক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি।
প্রতিবেদনে অন্যান্য পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সংগৃহীত অর্থ সম্পর্কে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে প্রদানের পরিমাণ প্রায় ২.৪৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার এবং প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে সংগৃহীত মোট অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার (প্রায় ১২৭ কোটি টাকা), যার মধ্যে অব্যবহৃত প্রায় ১৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার (১০৮ কোটি টাকা)।
এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়, রানা প্লাজা নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আলাদা কোনো তহবিল নেই এবং টিআইবির উক্ত প্রতিবেদনে তহবিলে অব্যবহৃত অর্থ রয়েছে বলে যা জানানো হয়, তা সত্য নয়।
জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এটা সত্য যে রানা প্লাজা নামে প্রধানমন্ত্রীর কোনো বিশেষ ত্রাণ তহবিল নেই। টিআইবির প্রতিবেদনেও এরূপ কোনো কথা বলা হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘টিআইবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রানা প্লাজা দুর্ঘটনা পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১২৭ কোটি টাকা সংগৃহীত হলেও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যয় হয়েছে মাত্র ১৯ কোটি টাকা। প্রকৃত অর্থে ১২৭ কোটি টাকাই ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাপ্য। যার তথ্য সূত্র জাতীয় সংসদে প্রদত্ত কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর বক্তব্য।’
টিআইবি নির্বাহী বলেন, ‘গত ২০১৩ সালের ১৪ জুলাই সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী সংসদকে জানান, সাভার ট্রাজেডিতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ত্রাণ হিসেবে এ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পর্যায়ে জমা দেয়া অর্থের পরিমাণ ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪৯ টাকা, যা পরদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়।’

Print Friendly, PDF & Email