বহিরাগতদের সিলেট ছাড়তে হবে ২৭ জুলাই

0
158

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ২৭ জুলাই থেকে সিলেটে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাই ২৭ জুলাই রাত ১২টার আগেই নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে হবে বহিরাগতদের। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রচারের জন্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সেই সাথে ২৮ জুলাই মধ্যরাত থেকে মোটরসাইকেল চলাচল ৩১ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এছাড়া সকল প্রকার মোটর যান ২৯ জুলাই মধ্যরাত থেকে ৩০ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলেও নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

সিলেট সিটি নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা প্রলয় কুমার সাহা এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নির্বাচন আইন অনুযায়ী এই নির্দেশনা সকল নির্বাচনেই দেওয়া হয়। সিসিক নির্বাচনকে সামনে রেখে এই নির্দেশনা নির্বাচনী এলাকায় বলবৎ থাকবে,

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বহিরাগতদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও যারা কর্মজীবী তাদের এলাকায় অবস্থান করতে কোনো অসুবিধা হবে না। তবে বাইরে চলাফেরার জন্য প্রয়োজন হলে তাদের কাজের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও এ নির্দেশনা শিথিলযোগ্য হবে। ইসির নির্দেশনাটি ৩১ জুলাই পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ বহিরাগতরা ১ আগস্ট থেকে আবার নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবেন।

সিলেট সিটি করপোরেশন ছাড়াও ৩০ জুলাই নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল সিটি করপোরেশন ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায়ও একই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান বলেন, সকল নির্বাচনেই বহিরাগতদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে কমিশন শুধু সময় বেঁধে দেয়। ভোটের দিন ৩০ জুলাই (সোমবার) সাধারণ ছুটি থাকবে। আর ২৭ জুলাই শুক্রবার। এক্ষেত্রে ২৮ ও ২৯ জুলাই (শনিবার ও রোববার) অনেককেই ‍অফিস করতে হবে। এক্ষেত্রে তাদের পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। কর্মজীবীদের এলাকায় থাকতে অসুবিধা নেই। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও নির্বাচনী এলাকায় থাকতে অসুবিধা নেই।

তিনি বলেন, বহিরাগতদের অবস্থানের নির্দেশনা এজন্যই দেওয়া হয়, যেন অন্য এলাকার লোক এসে কোনো অনিয়মে জড়িয়ে যেতে না পারে। তার অর্থ এই নয় যে, মানুষ তার প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবে না।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বরত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রার্থীর সুনির্দিষ্ট কোনো লিখিত অভিযোগ এলে এবং তা নিয়ে অসন্তুষ্টি হলে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।

ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাতে যাওয়া-আসা করতে পারেন, সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভ্রাম্যমাণ টিমগুলোকে সার্বক্ষণিক টহলে রাখতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলো যাতে যাতে কোনো প্রকার অনিয়ম না হয়, সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সদা সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নিতে হবে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে।

Print Friendly, PDF & Email