বিদেশি হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতা একসূত্রে গাঁথা: ড. মিজানুর রহমান

0
245

ঢাকা: জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, বিদেশি হত্যা, পুলিশের এএসআই হত্যা, তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে বোমা হামলা সব দেখে প্রতীয়মান হচ্ছে একসূত্রে গাঁথা। এসব ঘটনায় জনগণের মধ্যে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা প্রতীয়মান। তিনি বলেন, যখন যুদ্ধাপরাধী, মানবতাবিরোধীদের দণ্ড আসন্ন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্র যারা যুদ্ধাপরাধীর বিচার মেনে নিতে পারেনি তারাই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলায় আহতদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ড. মিজানুর রহমান।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘যে ঘটনাটি ঘটেছে তা কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে নয়, জনগণের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করার জন্য সন্ত্রাসী ও নৈরাজ্যবাদীরা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এরা একক কোনো রাষ্ট্রের নয়, সমগ্র বিশ্বের, সভ্যতার শত্রু। জনগণ তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।’

মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ধর্মপ্রিয় জাতি, তবে উগ্র নয়। তাজিয়া মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের সবাই শিয়া নয়। যথাযথ শ্রদ্ধাভরে মুসলমানরা এ মিছিলে অংশ নেয়। এর আগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে বোমা হামলার ঘটনা ঘটলেও কোনো রাষ্ট্র রেড অ্যালার্ট জারি করেনি। এখন জারি করছে। নির্দেশ দিচ্ছে। যা নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করছে। তাই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুধু সরকারের একার দায় নয়, সবাইকে এসব প্রতিহত করতে হবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মিজানুর রহমান বলেন, এখনই সময়। দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরো সক্রিয় হতে হবে। দ্রুততার সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। আইন কাউকে ছাড় দেবে না এই বার্তা দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছাতে হবে।’

Print Friendly, PDF & Email