বিদ্রোহে বেসামাল আওয়ামী লীগ

0
367

জাকির হোসেন লিটন: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে বেসামাল অবস্থায় পড়েছে মতাসীন আওয়ামী লীগ। মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে স্থানীয় সরকারের সর্বনি¤œ এ স্তরে নির্বাচনের আয়োজন করা হলেও বিদ্রোহীদের কারণে তা ম্লান হতে চলেছে। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল আওয়ামী লীগ বিভক্ত। ফলে বিভিন্ন স্থানে গ্রুপিং, কোন্দল ও দলাদলি প্রকাশ্য রূপ নিচ্ছে। দ্বন্দ্বের জেরে চলছে বহিষ্কার, পাল্টা বহিষ্কার, মিছিল, মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশসহ বিভিন্ন ধরনের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি। এ নির্বাচন ঘিরে সরকারি দলের মনোনীত ও বিদ্রোহী প্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ইতোমধ্যে দু’জনের প্রাণহানি হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, প্রতিপক্ষের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা এমনকি বাড়িঘরে হামলার ঘটনাও ঘটছে।
বিশেষ করে ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী নেতাদের সাথে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের দূরত্ব বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে মতাসীন দলের হাইকমান্ডও উদ্বিগ্ন। তবে বিষয়টিকে সময়িক উল্লেখ করে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশাবাদী নীতিনির্ধারকরা।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ নয়া দিগন্তকে বলেন, অনেক যাচাই-বাছাই করে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে যোগ্যপ্রার্থী দেয়া হয়েছে। এখানে বিদ্রোহী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
বিদ্রোহীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় সংগঠন। এ দলে নেতাকর্মী ও নিবেদিত সৈনিক বেশি। এখানে সবার চাওয়া রা করা সম্ভব হয় না। যে কারণে বিদ্রোহী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবে না। দলের সিদ্ধান্তই মেনে নেবে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী তাদের বহিষ্কার করা হবে।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ মিলিয়ে প্রায় ১৪ শ’ ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। ত্যাগী ও দলের প্রতি নিবেদিত নেতাদের মনোনয়ন না দেয়ায় ুব্ধ নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। শুধু তাই নয়, বিদ্রোহের পাশাপাশি দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় মন্ত্রী, এমপিদের প্রভাব এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও তোলেন তারা। এসব স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এখন পরস্পর মুখোমুখি। ফলে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন খোদ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সাথে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা এ আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন।
স্থানীয় ও দলের বিভিন্ন সূত্র জানায়, গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান খান ফারুক মাস্টার। এ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুল আলম। তার বাবা আবদুল বাতেন মণ্ডল দুই দফা চেয়ারম্যান ছিলেন। বংশ মর্যাদা, দলের নিবেদিত কর্মী ও জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি খায়রুল আলম। ফলে বাধ্য হয়ে তিনি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং জয়ী হবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এ বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগ, ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আখতারুজ্জামানের অনুসারী চিহ্নিত করা হয়েছে তাকে। সে জন্য এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি তাকে মনোনয়ন দেননি।
সুনামগঞ্জের ছাতকের কলারুকা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন মোহাম্মদ অদুদ আলম। তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এখানকার আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী সংগঠনের ওই ইউনিয়নের সভাপতি আফতাব উদ্দিন। তার দাবিÑ মনোনয়ন লাভকারী অদুদ আলম ১২ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এরপরই মনোনয়ন পেয়েছেন। এ ঘটনার জন্য তিনি সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা মুকুটকে দায়ী করেন। তার মতে, তিনি সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিকের অনুসারী। তাই তার নাম বাদ দিয়ে কেন্দ্রে তালিকা পাঠান নুরুল হুদা মুকুট। মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সেখানে দলের দুইপরে নেতাকর্মীরা মুখোমুখি। থানা আওয়ামী লীগ আহ্বায়কের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার কাইতলা দণি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন মোহাম্মদ শওকত আলী। এখানে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ খালেদ আশিক। মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই আশিকের সমর্থক নেতাকর্মীরা বিােভ অব্যাহত রেখেছেন। এই বিদ্রোহী প্রার্থীর দাবি যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তিনি আওয়ামী লীগের সদস্য না। টাকা দিয়ে মনোনয়ন কিনেছেন।
একই জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুরে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হকের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। গত শনিবার উপজেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে বসে মন্ত্রী হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক মিয়াকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা দেন। এতে ুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একাংশ। তাদের অভিযোগ, ফারুক মিয়া সেখানকার চিহ্নিত রাজাকার তাজুল ইসলাম তাইজুদ্দিনের ছেলে। এ নিয়ে মন্ত্রীর সাথে অনেকটা প্রকাশ্যেই দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন নেতাকর্মীরা।
বগুড়ার সোনাতলা মধুপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম প্রধান বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। তিনি আগে বিএনপির ইউনিয়ন শাখার সহসভাপতি ছিলেন। ২০১৪ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন চাইলেও হাইকমান্ড তার স্থলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহদফতর সম্পাদক অসীম কুমার জৈনকে সমর্থন দিয়েছে। বাধ্য হয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
শেরপুরের ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টি ইউনিয়নেই রয়েছে এক বা একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী। জেলার ১ নম্বর পোড়াগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন মো: আজাদ মিয়া, ২ নম্বর নন্নী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন আবদুল্লাহ আল-মাহমুদ ও আবদুল হাই আজাদ, ৩ নম্বর রাজনগর ইউনিয়নে বিদ্রোহী তানজিল আহমেদ রিমন, শাহীন, ৫ নম্বর রামচন্দ্রকুড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: খোরশেদ আলম খোকা, ৬ নম্বর কাকরকান্দিতে বিদ্রোহী হয়েছেন নাজিম উদ্দিন, নিয়ামুল কাউসার সোহাগ, নাজমুল হোসেন, ৮ নম্বর রূপনারায়ণকুড়ায় বিদ্রোহী হয়েছেন এ এইচ এম মোস্তফা কামাল, ১০ নম্বর যোগানিয়ায় বিদ্রোহী প্রার্থী তাকিজুল ইসলাম তারা, আওয়ামী ঘরানার স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আনসার আলী, মো: আবদুল জলিল, ১১ নম্বর বাঘবেড় ইউনিয়নে বিদ্রোহী হাসানুজ্জামান রিয়াদ, গোলাম মোস্তফা, ১২ নম্বর কলসপাড় ইউনিয়নে বিদ্রোহী জাহাঙ্গীর আলম, ফকর উদ্দিন নয়ন, জয়নাল আবদীন, মিজানুর রহমান।
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী পাঁচজন। পাবনার বেড়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদেও আওয়ামী লীগের বেশ ক’জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। পুরান ভারেঙ্গা ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাশেম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। চাকলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হয়েছেন সরোয়ার হোসেন। মাসুমদিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মো: শহিদুল ইসলাম, হাটুরিয়ার নাকালিয়ায় আবদুর রহিম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। রূপপুরে বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু মোল্লা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। নতুন ভারেঙ্গায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু দাউদ, জাতসাখিনী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মিজানুর রহমান রানা হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিপক্ষে বিদ্রোহী হয়েছেন কামাল উদ্দিন, ফারুক হোসেন ও বুলবুল। চরকিন ইউনিয়নে মহিউদ্দিন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। নামে নামে মিল রেখে সরঈশ্বর ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আজাদ হোসেন নামের একজন। এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীও আজাদ হোসেন। সোনাদিয়ায় বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইয়াসিন আরাফাত কানু। জাহাজমারায় বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন অ্যাডভোকেট মাসুম বিল্লাহ।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সাফা ইউনিয়নে বিদ্রোহী মোহাম্মদ ফারুক, মাছুয়া ইউনিয়নে নাইমুল হোসেন, দাউদখালি ইউনিয়নে বজলুর রহমান, সাতলেজা ইউনিয়নে ইউনুচ মোল্লা। এরা সবাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক বা যুবলীগের দায়িত্বশীল পদে রয়েছেন।
খুলনার তেরখাদার অজগরাতে বাদশা মল্লিক, তেরখাদার বাসাহাটে তারিকুল ইসলাম, ডুমুরিয়ার সদরপুরে রবিউল ইসলাম, সোহানায় সুরঞ্জিত বৌদ, ভাণ্ডারপাড়ায় গোপাল চন্দ দে, বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালিতে বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাগর। ভারপাড়ার বিদ্রোহী এক মন্ত্রীর নিকটাত্মীয়।
বাগেরহাটের ৭৫টি ইউনিয়নের অধিকাংশেই একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারমধ্যে শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল মংলাতে সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এভাবে সারা দেশেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। ভোটযুদ্ধের আগেই বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় গত মঙ্গলবার রাতে প্রতিপরে হামলায় নিহত হয়েছেন এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সমর্থক শামসুল হক। পাল্টা হামলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর তিন কর্মী আহত হন। পটুয়াখালীর বাউফলে গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রার্থীদের এক সভায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারের (এসপি) সামনেই হামলায় আহত হয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ তিনজন। এ ছাড়া বরিশাল, ভোলা, খুলনা, সাতীরাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৪০-৪২ জন। ভাঙচুর করা হয়েছে বাড়িঘর ও নির্বাচনী কার্যালয়।
অনেক স্থানে বিদ্রোহী প্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগও এসেছে। এসব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ হয়ে আওয়ামী লীগই নির্বাচনী মাঠে লড়াই করতে যাচ্ছে, যা দলীয় প্রার্থীর জন্য পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

Print Friendly, PDF & Email