বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা ভোগ করতেই হবে: খাদ্যমন্ত্রী

0
105

ঢাকা:  খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুটি দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা ভোগ করতেই হবে। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‌‘জামায়াত-বিএনপির নৈরাজ্য ও গুপ্ত হত্যার প্রতিবাদ’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা আয়োজন করে সম্মিলিত তরুণ পেশাজীবী পরিষদ।

কামরুল ইসলাম বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুটি দুর্নীতি মামলায় বিচারকাজ শেষ হতে আর বেশি দিন লাগবে না। এ বিষয়টি খালেদা জিয়া উপলব্ধি করতে পেরেছেন। আর এ কারণেই তার দেশে ফেরার তারিখ শুধু পরিবর্তন হচ্ছে। কিন্তু আদৌ তিনি দেশে ফিরবেন কি না তা জনগণের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ তিনি বুঝতে পেয়েছেন তার ভবিষ্যৎ কী।

বৃহস্পতিবার বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার আগ্রহ রয়েছে বিএনপির। তবে এ জন্য আমাদের কিছু শর্ত রয়েছে। এ ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, বিএনপিকে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাঠে আওয়ামী লীগ তাদেরকে স্বাগত জানাই।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি সরানো হলে তা প্রতিরোধ করা হবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে লুই কানের নকশা অনুযায়ী কাজ শুরু হলে শুধু জিয়ার কবর নয়, সংসদ ভবন এলাকার সব কবরই সরানো হবে।

মেজর হাফিজকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আন্দোলনের হুমকি দিয়ে সরকারের কাজ বাধাগ্রস্ত করতে পারবেন না। এ ছাড়া আন্দোলনের কোনো সুযোগ নেই। আর আন্দোলন করার মতো আপনাদের শক্তিও নেই।

’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল, বেগম জিয়া এখন তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশকে ধ্বংস করতে চাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। লন্ডনে বসে বিদেশি প্রভুদের সহযোগিতায় খালেদা জিয়া দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলেও মন্তব্য করেন কামরুল ইসলাম। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ব্যারিস্টার জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Print Friendly, PDF & Email