ভোলায় আ. লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ১৪

0
150

Logo A Ligue 01
ভোলা: তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ভোলার তজুমদ্দিনে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর আটজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে একটি ক্লাবঘরে হামলা চালিয়ে এর আসবাবপত্র, বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় এমপির ছবি ভাঙচুর করা হয়। গতকাল সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তজুমদ্দিন উপজেলার উত্তর বাজারে মাংস বিক্রেতা মো. কবির উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন পোদ্দারের ভাই গিয়াস উদ্দিন পোদ্দারের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে গিয়াসউদ্দিন মারধর করেন মাংস বিক্রেতা কবিরকে। এর জের ধরে কবিরের সমর্থকরা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন পোদ্দারের ভাই গিয়াস উদ্দিন পোদ্দারের ওপর পাল্টা হামলা চালিয়ে তাকেও মারধর করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে হামলা-পাল্টাহামলা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এক পর্যায়ে গিয়াস উদ্দিন পোদ্দারের সর্মথকরা ওই এলাকায় দ্বীপবন্ধু যুব পরিষদ নামে একটি ক্লাবঘরে হামলা চালিয়ে ক্লাবের আসবাবপত্র, বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের ছবি ভাঙচুর করে বলে জানিয়েছেন ক্লাবের সভাপতি মনির হোসেন তালুকদার।
সংঘর্ষে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন পোদ্দারের ভাই গিয়াস উদ্দিন পোদ্দারসহ অন্তত ১৪ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর আটজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলেন: গিয়াস উদ্দিন পোদ্দার, মাইনুদ্দিন পোদ্দার, মিজান পোদ্দার, মফিজ, জহির, সিদ্দিক, কামাল তালুকদার এবং আজাদ। আহতরা সবাই আওয়ামী লীগের কর্মী ও সমর্থক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তজুমদ্দিন থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, সামান্য ঘটনা নিয়ে নিজেরা নিজেরা মারামারি করেছেন। এ ঘটনায় কোন পক্ষই থানায় কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ক্লাবঘর ভাঙচুরের ঘটনা অস্বীকার করেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email