রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়েই মুজাহিদকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে: সিলেট জামায়াত

0
135

সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আওয়ামী বাকশালী সরকার জাতীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যার মাধ্যমে জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার যে ষড়যন্ত্র করছে তা কখনোই সফল হবেনা। ওলী আউলিয়ার স্মৃতিধন্য শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের এই বাংলাদেশ থেকে ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংস করার সকল ষড়যন্ত্র দেশপ্রেমিক তৌহিদী জনতা প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ। সরকার জামায়াতকে নেতৃত্বশুন্য করতেই পরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করার মহাপরিকল্পনা বাস্থবায়নে অস্থির হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়েই দলীয় লোকদের দ্বারা মিথ্যা রায় প্রদান করিয়ে মিথ্যা, সাজানো ও বায়বীয় অভিযোগে জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল সাবেক সফল সমাজকল্যান মন্ত্রী আলী আহসান মো: মুজাহিদকে হত্যা করতেই জন্য ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ন্যায়ভ্রষ্ট মৃত্যুদন্ডাদেশের রায় প্রদান করা হয়। রিভিউ আবেদনে তিনি ন্যায় বিচার পাবেন এমনটা দেশবাসী আশা করেছিল। কিন্তু মাননীয় আদালতের প্রদত্ত রায়ে দেশবাসী বিস্ময়ে হতবাক হয়েছে।  জাতির কাছে আজ পরিষ্কার হয়েছে জননেতা আলী আহসান মুজাহিদ সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।

শনিবার জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী শান্তিপুর্ণ বিক্ষোভ কর্মসুচীর অং হিসেবে ও জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল সাবেক সফল সমাজকল্যানমন্ত্রী আলী আহসান মো: মোজাহিদকে বিচারিক হত্যা ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ও মুক্তির দাবীতে নগরীতে শান্তিপুর্ন বিক্ষোভ মিছিল বের করে সিলেট মহানগর জামায়াত। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। এমসয় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, সহকারী সেক্রেটারী মো: শাহাজাহান আলী, জামায়াত নেতা  মু. আজিজুল ইসলাম, মশাহিদ আহমদ, চৌধুরী আব্দুল বাছিত নাহির, মুহাম্মদ সাহেদ আলী, এস.এম মনোয়ার হোসেন, সিলেট মহানগর ইসলামী ছাত্র শিবির নেতা হাফিজ বদরুল ইসলাম, এহতেশামুল হক জাকারিয়া, মিয়া মোহাম্মদ রাসেল প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আন্তর্জাতিক মান পরিপন্থি ও মানবাধিকার বিবর্জিত কালো আইন তৈরী করে ক্ষমতাসীন অবৈধ আওয়ামী সরকার কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজ দলের কতিপয় সুবিধাভোগীদের নিয়ে পরিচালিত ত্রæটিপুর্ন বিচারে জননেতা মুজাহিদকে হত্যার ষড়যন্ত্র জাতি মেনে নিবেনা। কথিত আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশী-বিদেশী আইনজ্ঞ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার প্রশ্ন তোলা সত্তে¡ও সরকার গায়ের জোরে জননেতা মোজাহিদকে বিচারের নামে হত্যার চুড়ান্ত পথে হাটছে। কথিত বুদ্ধিজীবি হত্যায় জড়িত থাকা সন্দেহে জামায়াত সেক্রেটারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ডের রায় দেয়া হলেও কখন কাকে হত্যা করেছেন কারো নাম বা সুনির্দিষ্ট প্রমান ট্রাইব্যুনাল প্রমান করতে পারে নি। এরকম একটি স্পর্শকাতর ঘটনায় শুধুমাত্র কতিপয় বানানো ভুয়া স্বাক্ষ্যের ভিত্তিতে কারো বিরুদ্ধে মুত্যুদন্ড দেয়া তো দুরের কথা একদিনের সাজাও প্রদান করা যায়না। এই ন্যায়ভ্রষ্ট রায় বাতিল করে অবিলম্বে জননেতা মুজাহিদ সহ সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন।

Print Friendly, PDF & Email