শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সকল পথ রুদ্ধ করে রেখেছে আওয়ামী লীগ

0
233

20 Dol
ঢাকা: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দেশের প্রকৃত চিত্র সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার সুযোগ সংকুচিত করে করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। দলের নেতৃবৃন্দরা বলছে, বিরোধীদলের বিরুদ্ধে তারা (ক্ষমতাসীন) একটানা মিথ্যাচার করে চলেছে। সীমাহীন অপকর্ম ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সকল পথ তারা রুদ্ধ করেছে। মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ২০ দলের পক্ষে এসব কথা বলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু।
বিরোধী দলের স্বাভাবিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক তৎপরতা পরিচালনার সুযোগ নেই দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়, এ অবস্থায় দেশব্যাপী অবরোধের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা রাখা হয়নি।
বিবৃতিতে বুলু বলেন, এটা দুর্ভাগ্যের বিষয় যে, ভোটারবিহীন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে ক্ষমতা করায়ত্বকারী সরকার সংলাপের বিষয়ে কারও আহ্বানেই সাড়া দেয়নি। বরং তারা হত্যা, গুম, অপহরণ, জুলুম-নির্যাতন ও গ্রেফতারের মাধ্যমে সৃষ্টি করা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি অব্যাহত রেখে তথাকথিত উন্নয়নের ধারার নামে তাদের অবৈধ শাসন এবং লুটপাট ও দুর্নীতির ধারাকেই প্রলম্বিত করতে চাইছে।
আওয়ামী সরকারের সমালেঅচনা করে বিএনপির এ নেতা বলেন, দলের যুগ্ম-মহাসচিব সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার ৭ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত তাকে মুক্তি দেওয়া কিংবা আদালতে হাজির করা হয়নি। অতি সমপ্রতি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনসহ দেশব্যাপী আরও অনেক নেতাকর্মীর ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সালাহউদ্দিনকে গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করে সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে সাজানো গল্প ফাঁদা হয়েছে এবং শীর্ষ পর্যায় থেকে উৎকট ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করা হয়েছে। এতে তার পরিবারের ও আমাদের উৎকণ্ঠা তীব্র হচ্ছে।
দিরাইয়ে ৩টি দোকানে চুরি
আবুল হোসাইন, দিরাই থেকে: দিরাইয়ে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে ৩টি দোকানে চুরি হয়েছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলা রোডের জীবন ষ্টোর, রাহাত কম্পিউটার এন্ড ফটোষ্ট্যাট ও জরিফ ষ্টোরের দরজা কেটে দোকান গুলোর মালামাল ও ক্যাশে রাখা নগদ টাকা নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে রাহাত কম্পিউটার এন্ড ফটোষ্ট্যাট দোকানের সত্ত্বাধিকারী মোঃ মুহিবুর রহমান বলেন, এভাবে যদি প্রশাসনের নাখের ডগায় থাকা সত্তেও আমাদের দোকান গুলো চুরি হয় তা হলে আমরা ব্যবসা করে কি করব, কিছু দিন আগেও হাসপাতাল প্রাঙ্গনের ৩/৪টি ফার্মেসী ও এতিমখানা চুরি হয়েছিল, প্রশাসন এব্যাপারে কোন প্রদক্ষেপ না নেওয়ায় উপজেলা পরিষদের প্রাঙ্গনে আমাদের দোকান গুলো চুরি করতে চুরেরা দুঃসাহস পেয়েছে। এব্যাপারে দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বায়েস আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্তস্বাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email