শাল্লা সদর ইউপিতে নানা অনিয়ম

0
586

 

শাল্লা প্রতিনিধি: শাল্লা উপজেলার ৩নং বাহাড়া ইউপির চেয়ারম্যান বিধান চৌধুরী ও তার সচিব বিপ্লব কুমার দাশের বিরুদ্ধ স্বজনপ্রীতিসহ নানা অনিয়মর অভিযােগ উঠেছে। গতকাল সােমবার ওই ইউপির সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের সদস্য আভা রাণী তালুকদার বলেন, বাহাড়া ইউপিতে স্বজনপ্রীতিসহ নানা অনিয়ম ও দুনীতি চলছে। আমরা নারী সদস্য হওয়ায় তারা সব সময় আমাদের ঠগায়। কােন প্রকল্প দেয় না। আমার ওয়ার্ড ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বারকে কাজ দয়ে আমি জানিই না। কােনো মিটিংয়ে আমাকে ডাকে না। তাহলে আমাদের মহিলা মেম্বারদের পরিষদে রাখার দরকার কি। বাহাড়া ইউপিতে এমন দুর্নীতি হয়, আপনারা তা দেখেন না। আমাদর প্রতিবাদ করা দরকার বলেই এমন অনিয়ম ও  দুর্নীতির বিরুদ্ধ রুখ দাড়িয়েছি। নওয়াগাঁও গ্রাম থেকে সুখলাইন গ্রাম পর্যন্ত গাছ লাগিয়েছি ৪-৫ মাস আগ। কি এখনো বিল তুলতে পারিনি।তার সচিব বিপ্লব কুমার দাশ ২লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকপ্ল বিল করেছেন ৩লাখ। আমার মনােনীত মাতৃত্বকালীন ভাতার মহিলা ২ সন্তানের জননী হওয়ায় তাকে বাতিল করা হয়ছ। অথচ ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার ব্রজলাল দাসের মনােনীত নওয়াগাঁও গ্রামর নেপাল সূত্রধরের স্ত্রী  ৩ সন্তানের জননী শিপন রাণী সূত্রধরকে ভাতা দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এব্যাপার উপজেলা সদর ইউপির চেয়ারম্যান বিধান চন্দ্র চৌধুরী বলেন, ২ সন্তানের জননীকে অবশ্যই ভাতা দেওয়া হয়। ৩ সন্তানের জননীকে ভাতা দেওয়া হয় না। তিনি বলেন, আড়াই হাজার গাছ লাগিয়েছি। সেখান গাছ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৪ জন লোক নিয়োজিত রয়েছে। প্রকল্পে বণ্টনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইউপি পরিষদে মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রকল্প ভাগ করে দেওয়া হয়। কি আভা রাণী তালুকদার বলেন, কােনো মিটিং হয় বলে আমার জানা নাই। কারণ আমাকে কােনাে মিটিংয়েই ডাকা হয়নি। আভা রাণী আরও বলেন, অফিস সহকারী তপন সরকারই সমস্ত প্রকল্প ভাগ কের দেন।এ বিষয়ে তপর সরকার বলেন, পরিষদের প্রকল্প বাস্তবায়নে কমিটিই প্রকল্প ভাগ করেন।

Print Friendly, PDF & Email