সন্ত্রাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0
120

ঢাকা: যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সজাগ রয়েছে বলে জানান তিনি। রাজধানীর মিরপুর-১০এ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স টেনিং কমপ্লেক্সে রবিবার সকাল ১১টায় তিন দিনব্যাপী ফোর্থ সেমিনার অব দ্য ফোরাম ফর অ্যাডভ্যান্স ফায়ার এডুকেশন/রিসার্স ইন এশিয়া শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। ফ্রান্সের প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় দেড় শ লোক নিহত হয়েছেন। এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত জানতে চাইলে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সব সময় এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর জন্য সন্ত্রাসীরা আগেও চেষ্টা করেছিল। তারা অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছিল।

তিনি জানান, ২০১৩ সালের শেষে এবং ২০১৪ শুরুর দিকে সন্ত্রাসীরা অগ্নিসন্ত্রাসসহ বিভিন্ন তাণ্ডব চালিয়েছিল। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সক্ষমতার সঙ্গে সেগুলো মোকাবিলা করেছে। মন্ত্রী বলেন, এখনো আমরা সজাগ রয়েছি। আমাদের গোয়েন্দারাও কাজ করছেন। প্যারিসের হামলায় দুঃখ প্রকাশ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমি মনে করি, তারা মানবতার শত্রু। এরা মানুষ বলে স্বীকৃত নয়। বাংলাদেশ এ ঘটনায় ঘৃণা জানায়। পৃথিবীর লোকদের উচিত তাদের ঘৃণা ও প্রতিরোধ করা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এ ধরনের দাঙ্গাবাজ ও জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ফায়ার সার্ভিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। তাই তাদের সম্ভাবনা ও তাদের জ্ঞানকে যথেষ্ট সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ায়। তারা যেন সক্ষমতার সঙ্গে দুর্ঘটনার মোকাবিলায় কাজ করতে পারে সে জন্য আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা। বিদেশি বিশেষজ্ঞদের জ্ঞানসমৃদ্ধ আলোচনার মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস আরও উন্নত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোজাম্মেল হক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান, টোকিও ইনিভার্সটিসি অব সাইন্সের প্রফেসর টুজিমোতো মাকোতো প্রমুখ।

Print Friendly, PDF & Email