নির্বাচনে অংশ না নেয়ার মাশুল খালেদাকেই দিতে হবে: হানিফ

0
219

Hanif 01
ঢাকা: আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে খালেদা জিয়া যে ভুল করেছেন তার মাশুল তাকেই দিতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালে নির্বাচন হবে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে সেই নির্বাচন করা হবে। বিএনপি ইচ্ছা করলে সেই নির্বাচনে অংশ নিতে পারে। এর আগে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন হবে না।
বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে সোহরা্ওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ স্থান পরির্দশন করতে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।
হানিফ বলেন, রাজধানীতে সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আমরা আশা করছি ১০ জানুয়ারির আগেই ডিএমপি এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা সমাবেশ করতে ডিএমপির কাছে অনুমতি চেয়েছি। আওয়ামী লীগ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এর বাইরে গিয়ে আমরা কিছু করবো না। তবে আমরা জানি ১০ তারিখের আগেই ডিএমপি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবে।
আ.লীগের এ নেতা বলেন, গত ১ মাস আগে আমরা ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের বিজয় দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে আমাদের কর্মসূচি নস্যাৎ করতে বিএনপিও ওইদিন কর্মসূচি দিয়েছে। তাই সংঘাত এড়াতে ডিএমপি সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল।
তিনি বলেন, ইজতেমা বিশ্ব মুসলিমদের দ্বিতীয় জমায়েত। এই জমায়েতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের যাতে কোন ধরনের সমস্যা না হয় সেজন্য আমরা খালেদা জিয়াকে অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছি। আমরা আশা করছি আগামীকালই তিনি তার কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিবেন। খালেদা যদি কর্মসূচি প্রত্যাহার না করেন তাহলে, এই জমায়েত সুষ্ঠুভাবে শেষ করার জন্য সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিবে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রতিক্রিয়ায় দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ একই মত পোষণ করে বলেন, আমরা আশা করি ডিএমপি আমাদেরকে সমাবেশ করতে অনুমতি দিবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ঢাকা মহানগর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দলের (বিএনপি-আওয়ামী লীগ) পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ডাকার কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে ডিএমপি। তা এখনও বলবৎরয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email