রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ চাইলেন এরশাদ

0
211

Ershad 01
ঢাকা: রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যকে অপসারণ করে দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। শনিবার দুপুর ১২টায় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলমান আন্দোলন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে এরশাদ বলেন, উপাচার্য নূর-উন-নবীকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। যিনি গুরুত্বপূর্ণ পদ আঁকড়ে ধরে দিনের পর দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন তাকে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না।
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে চলমান সংকট থেকে বাঁচানোর জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন তিনি। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে উপাচার্য নূর-উন-নবীকে অপসারণ করে একজন যোগ্য, দক্ষ, এবং সৎব্যক্তিকে নিয়োগের মাধ্যমে চলমান সমস্যা নিরসনের ব্যবস্থা নিতে অনশন মঞ্চ থেকে শিক্ষামন্ত্রীকে ফোনে অনুরোধও করেন।
জাপা চেয়ারম্যান বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করবেন।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং রংপুরবাসী সম্পর্কে উপাচার্যের নেতিবাচক মন্তব্য করার জন্য তিনি তীব্র নিন্দা জানান।
উল্লেখ্য, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। উপাচার্যকে অপসারণ ও সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবিতে চলছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সপ্তমদিনের আমরণ অনশন কর্মসূচি।
আমরণ অনশন পালন করতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক তাবিউর রহমান প্রধান, রসায়ন বিভাগের শিক্ষক তারিকুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহজাহান আলী, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানের মো. হাবিবুর রহমান, কর্মচারী আব্দুল ওহাব (নিরাপত্তা) এবং আব্দুল মালেক মিয়া (ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট)।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবীকে অপসারণের দাবিতে গত তিন মাস থেকে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

Print Friendly, PDF & Email