শাহপরানে সন্ত্রাসী হামলায় যুবক আহত

0
505

ডেস্ক রিপোর্ট: দিনের বেলায় ফোন করে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে বেদড়ক পিঠিয়েছে ও চুরিকাঘাত করেছে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর আহত যুবক ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে। তবে তার অবস্থা আশংকামুক্ত বলে জানা গেছে। ঘটনাটি গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরতলীর শাহপরান গেইট সংলগ্ন নিপবন পয়েন্টে ঘটেছে। যুবকের নাম হাবিবুর রহমান উমর (২০)। এঘটনায় যুবকের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
পরিবারের সাথে আলাপকালে জানা যায়, গত সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে মোবাইল ফোনে রকি পরিচয়ে এক যুবক শাহপরান গেইট সংলগ্ন নিপবন আবাসিক এলাকার ১নং রোডের ৩১নং বাসার বারিক মিয়ার পুত্র হাবিবুর রহমান (২০) উমরকে দেখা করার কথা বলে। জবাবে উমর রাতে বাসা থেকে বের হয় না বলে জানায়। একই সাথে পরে অন্যসময় দেখা করবে বলে ফোন রেখে দেয়। পরদিন গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঐ নাম্বার থেকে রকি নামের যুবকটি আবার ফোন দিয়ে দেখা করার আহ্বান জানিয়ে নিপবন পয়েন্টে আসার কথা বলে। তখন অনেকটা অনিচ্ছা স্বত্তেও উমর বাসা থেকে পয়েন্টে আসে। তখন উপস্থিত রকি সে তার সাথের কি না জিজ্ঞেস করলে উমর না উত্তর দিয়ে বলে আপনী তো বড় ভাই। তখন রকি এবং রেদওয়ান তার সাথে কিছু কথা আছে বলে শাহপরান গেইট সংলগ্ন জিমনেসিয়ামের পার্শ¦বর্তী একটা বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে নেয়া মাত্র রকি নামের ছেলেটি উমরের মোবাইল কেড়ে নিয়ে রিসিভ অপশন থেকে তার ডায়াল করা নাম্বার ডিলিট করে দেয়। তারপর কোন কথা না বলেই আর ৪/৫ যুবক লাটিসোঠা দিয়ে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে সারা শরীর থেতলে দেয়। তখন সে চিৎকার করলে এক যুবক তার মুখ চেপে ধরে। এক পর্যায়ে চুরি দিয়ে আঘাত করলে তার মাথার অনেক জায়গা কেটে যায়। তখন সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবক গভীর বিকেল ৫টার দিকে তাকে শাহপরান গেইট সংলগ্ন স্যার ফার্মেসীর সামনে রেখে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় উমরের পরিবার তাকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওসমানী হাসপাতালের ৩য় তালার ৯নং ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় তার মাথায় ৫টি সেলাই এবং সারা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে।
উমরের বাবা বলেন, আমার ছেলেকে যারা আহত করেছে তাদের দুজনকে সে চিনতে পেরেছে। তার শারিরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে আমি শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করবো। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
এব্যাপারে শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার হোসেন বলেন আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা। আমার কাছে অভিযোগ আসলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।

Print Friendly, PDF & Email