Home অর্থনীতি ৩৪ হাজার খাম্বা কিনছে সরকার

৩৪ হাজার খাম্বা কিনছে সরকার

701
0

ঢাকা: একটি পুরাতন ক্রুড অয়েল লাইটারেজ ট্যাংকার ও প্রায় ৩৪ হাজার বৈদ্যুতিক খাম্বা ক্রয়সহ ৫টি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ বিষয়ে ৫টি প্রস্তাবের বিপরীতে মোট ব্যয়ের পরিমাণ হচ্ছে ৩৬১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। সচিবালয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠকে এ সব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির আহবায়ক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও জ্যেষ্ঠতম সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর অনুপস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর জানান, বৈঠকে মোট ৫টি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে ‘বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন’-এর নিজস্ব অর্থায়নে ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার ডিডব্লিওটি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন অনুর্ধ্ব ১২ বছরের পুরাতন একটি ক্রুড অয়েল লাইটারেজ ট্যাংকার ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি সরবরাহ করবে ‘ক্যামলিকা শিপিং ইস্তাম্বুল টার্কি’।

এর স্থানীয় এজেন্ট হচ্ছে ঢাকার ‘মেসার্স আফরোজ শিপিং লাইন’। ট্যাক্স ও ভ্যাটসহ এটি ক্রয়ে মোট ব্যয় হবে ১৫৬ কোটি ১১ লাখ টাকা (১ কোটি ৫৯ লাখ ডলার)।

তিনি জানান, ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণ বরিশাল বিভাগীয় কার্যক্রম-২’-এর প্যাকেজ নং বিডিপি-২-জি-২৭-এর আওতায় ৩৩ হাজার ৭৫৮টি বৈদ্যুতিক খুঁটি (এসপিসি পোল) ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৬৯ কোটি ৯ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। দু’টি লটে ১৬ হাজার ৮৭৯টি করে এ খুঁটি ক্রয় করা হবে। এর মধ্যে ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রথম লটটি সরবরাহ করবে ‘মেসার্স পোলস আ্যান্ড কংক্রীট লিমিটেড’। অন্যদিকে ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় লটটি সরবরাহ করবে ‘মেসার্স পিএসপি পোলস লিমিটেড’।

অতিরিক্ত সচিব জানান, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ‘ফ্ল্যাড অ্যান্ড রিভারব্যাংক ইরোসিয়ন রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (ট্রাঞ্চ- ১)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ‘ইনস্টিটিউশন্যাল স্ট্রেংদেনিং অ্যান্ড প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ কাজের জন্য পরামর্শক হিসেবে যৌথভাবে নিয়োগ পেয়েছে কানাডা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘নর্থ-ওয়েস্ট হাইড্রলিক কন্সাল্টেন্ট’ ও নেদারল্যান্ড ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ইউরো কন্সাল্ট মট ভেগডোনাল্ড’। ট্যাক্স ও ভ্যাটসহ এতে ব্যয় হবে ১০১ কোটি ৮১ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

তিনি জানান, ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের জন্য কৃষি পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণ অর্থায়ন প্রকল্প’-এর আওতায় প্রকল্প পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ কাজের জন্য পরামর্শক হিসেবে যৌথভাবে নিয়োগ পেয়েছে জার্মানির প্রতিষ্ঠান ‘এএফসি কন্সাল্টেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ ও ‘একাডেমি ডয়েশাস ইউনোসেন্স’। এতে ব্যয় হবে ২৯ কোটি ৩৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা (৩৭ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮১ ডলার)।

অন্যদিকে কোটিং ও র্যাাপিং সরঞ্জাম সরবরাহের কাজটি পেয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান ‘নিঙ্গো স্কাইওয়ে আইএমপি অ্যান্ড ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড’। এতে ব্যয় হবে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

Previous articleবিধ্বস্ত জাহাজের খোঁজে সাগরতলে পুতিন
Next articleজনশক্তিকে সম্পদে রুপান্তরিত করতে সুশিক্ষার বিকল্প নেই: অধ্যক্ষ শিব্বির আহমদ ওসমানী