Home রাজনীতি সরকার জনগণের সঙ্গে মশকরা করছে: মির্জা আব্বাস

সরকার জনগণের সঙ্গে মশকরা করছে: মির্জা আব্বাস

519
0

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে মশকরা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের বিশাল ব্যয়-বরাদ্ধ থেকে জনদৃষ্টি ভিন্ন দিকে রাখতেই ব্যাংক হিসাবের ওপর বর্ধিত করারোপের প্রস্তাব করে সরকার জনগণের সঙ্গে মশকরা করছে। সোমবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে দেশপ্রেমিক ফারামের উদ্যোগ দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর মুক্তির দাবিতে আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস একথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রোববার বলেছেন, বাজেটে যদি কোনো রকম অসামঞ্জস্য কিছু থাকে, তা আলোচনা করে ঠিক করা হবে। কেনো? সেটা আগে আলোচনা করে ঠিক করা যেতো না। আসলে আপনারা এটা রেখে দিয়েছেন এজন্য যাতে অন্য কিছু নিয়ে আলোচনা না হয়। আপনারা ব্যাংকের হিসাবের ওপর এই আবগারি শুল্ক উঠাবেন, এটা রাখার কোনো সুযোগ নাই। কারণ এই যে লাখ টাকার যারা মালিক এরাই কিন্তু বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ। কোটি টাকার মালিকরা কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়। ভোটের সংখ্যা ওদের হাতে বেশি। ভোটের হিসাবে এই আবগারি শুল্ক আপনাদের উঠাতেই হবে।

মির্জা আব্বাস বলেন, আবুল মাল আবদুল মহিত সাহেব বাজেট এমন করেছে যে, তারা মায়েদের আঁঁচলে হাত দিয়ে ফেলেছে। তিনি বলেছেন, এটা তার শেষ বাজেট। তিনি শেষ বাজেটটা এমন বাজেট দিলেন যে, মা-বোনদের পকেট কেটে দিলেন। এক লাখ টাকার আবগারি শুল্ক ৮শ’ টাকা অর্থমন্ত্রীর কাছে বিশেষ কোনো টাকা নয়। আমার ভয়টা অন্য জায়গায় যে, উনারা এই বাজেটে এমন অপকর্ম করেছেন, চুরি করার জন্য চোরায় রাস্তা রাখার হয়েছে। এই বিষয়গুলো ধামাচাপা দেয়ার জন্য এক লাখ টাকার ওপর আবগারি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন।

কারাবন্দি নেতা বরকতউল্লাহ বুলুর মুক্তির দাবি জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, এভাবে নেতা-কর্মীদের বন্দী করে, মামলা দিয়ে কত দিন থাকবে সরকার। আমাদেরকে এখন ইফতার পার্টি করতে দেয়া হয়, সমাবেশ করতে দেয়া হয় না। আমি বলতে চাই, এভাবে সমস্ত কিছু আটকিয়ে ফেলার পরিণতি শুভ নয়। একদিন এর বিস্ফোরণ ঘটবেই। আমরা বলতে চাই, এভাবে দমন-পীড়ন করে ক্ষমতায় কেউ থাকতে পারেনি, আপনিও পারবেন না। আপনারা পালবারও পথ পাবেন না।

সংগঠনের সভাপতি অ্যালবার্ট পি কস্টার সভাপতিত্বে ও এম এ কাইয়ুমের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

Previous articleশিক্ষকদের রাজনীতি করার দরকার নেই: সেতুমন্ত্রী
Next articleরাজনীতিকদের সঙ্গে খালেদার ইফতার