শহীদ জিয়া স্মৃতি কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত

0
148

নারায়ণগঞ্জ: বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কমিটি, মহানগর শাখা দিনব্যাপীর এ নকআউট ফুটবল টুর্ণামেন্টের আয়োজন করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া শহীদ জিয়া স্মৃতি কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে মোট ১০টি টিম অংশ নেয়। সারা দিন উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে প্রচুর দর্শক মাঠে উপস্থিত থেকে শহীদ জিয়া স্মৃতি কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উপভোগ করে।

শহীদ জিয়া স্মৃতি কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদ্য কারামুক্ত নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কমিটির আহŸায়ক এটিএম কামাল। টুর্ণামেন্ট কমিটির আহŸায়ক খলিলুর রহমান দোলনের পরিচালনায় পুরুস্কার বিতরনি অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রলি আাহমেদ, শাহরিয়ার চৌধূরী ইমন, মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু প্রমুখ। ফাইনাল খেলায় নারায়ণগঞ্জ ফুটবল একাডেমীকে এক শূন্য গোলে হারিয়ে বঙ্গবীর সংসদ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। পুরুস্কার বিতরনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এটিএম কামাল চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলকে ট্রফি তুলে দেন ও সকল দলের খেলোয়ার ও কর্মকর্তাদের ক্রেষ্ট ও ম্যাডেল প্রদান করেন।

এদিকে শনিবার সকাল ১১টায় ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের ২নং রেল গেট এলাকায় অবস্থিত জেলা ও মহানগর বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে নগর বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকির হোসেনের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক এ টি এম কামাল, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ূন কবির, নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কউিন্সিলর শওকত হাসেম শকু, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহŸায়ক আবুল কাউসার আশা।

এসময় এটিএম কামাল তার বক্তব্যে বলেন, মহানগর বিএনপির আয়োজিত এই বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচীতে অংশ না নিতে জেলা বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ফোন করে বারণ করেছেন। ওই শীর্ষ নেতার প্রতি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে সদ্য কারামুক্ত নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, ধান্দবাজীর রাজনীতি ছেড়ে দিন। অন্যথায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হাতে গনপিটুনীর শিকার হবেন। তিনি আরো বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে জীবনের বাজি রেখে রাজপথে আছি কোন রক্ত চক্ষুকে ভয় করি না। সেখানে যারা দলের হয়ে দলের লোকদের পিঠে ছুরি মারে সেই আতাতকারি, চাটুকারদের ভয় পাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

চাটুকার নেতাদের উদ্দেশ্যে এটিএম কামাল বলেন, ভাইয়ের ছবি টানান আর ভাইয়ের রাজনীতি করেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে হরতাল অবরোধে কোথায় থাকেন ? এ সময় এটিএম কামাল সভায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের কাছে প্রশ্ন রেখে জানতে চান, যারা বিএনপির এমন একটি গুরুত্বপূর্ন দিবসের কর্মসূচীতে ফোন করে নেতা-কর্মীদের অংশ নিতে বারণ করেন, তারা কি বিএনপি করে ? তারা কি শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক ? এর জবাবে উপস্থিত নেতাকর্মীরা সম¯^রে ‘না’ বলে উঠেন।

এসময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন দেওয়ান, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহŸায়ক মনোয়ার হোসেন শোখন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবদলের আহŸায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্টু, যুবদল নেতা আওলাদ হোসেন, রাসেল আহম্মেদ, ছাত্রদল নেতা দিদার খন্দকার, মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু, মৎসজীবী দল নেতা শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, ইব্রাহিম সরদার, মাঈনুল ইসলাম প্রমুখ।

Print Friendly, PDF & Email