৪ কোটি মানুষের জীবনের বিনিময়ে ১৩’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: আনু মোহাম্মদ

0
159

নিউজ ডেস্ক: তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, সুন্দরবনের কাছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের জীবিকা হারাবে। এটির প্রভাবে উপকূলের ৪ কোটি মানুষের জীবন ও সম্পদ ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, চার কোটি মানুষের জীবনের বিনিময়ে ১৩শ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ হতে পারে না। সরকার বাংলাদেশকে অরক্ষিত করে ভয়াবহ এই প্রকল্প করছে। আমরা কোন ভাবেই মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে অরক্ষিত হতে দিতে পারি না। সুন্দরবন ধ্বংসকারী বিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধের দাবিতে ঢাকা থেকে শুরু হওয়া “জনযাত্রা” নামের লংমার্চটি রবিবার দুপুরে বাগেরহাটে এসে পৌছায়। পরে লংমার্চটি বাগেরহাট শহরের দাসপাড়া মোড়ে মটর শোভাযাত্রা সহকারে আসার পর ব্যানার ও খন্ড খন্ড প্রতিবাদী মিছিল শহরে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময়ে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এই কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বাগেরহাট অভিমুখী ‘জনযাত্রা’ টি শুরু হয়। বাগেরহাট শহরের দাসপাড়া মোড়ে মটর শোভাযাত্রা আসার পর ব্যানার ও খন্ড খন্ড প্রতিবাদী মিছিল শহরে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে সমাবেশে মিলিত হয়।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরও বলেন সুন্দরবন বিনাশী এই কর্মকান্ড বন্ধ করতে জনযাত্রার ্এই কর্মসূচী অব্যহত থাকবে- যতদিন না সুন্দরবন বিনাশী প্রকল্প বাতিল হয়, যতদিন না বঙ্গোপসাগর নিরাপদ না হয়। যতদিন না বাংলাদেশের মানুষের উপর বাংলাদেশীদের কর্তব্য প্রতিষ্ঠা না হয়। যে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সারা দেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে সেই সুন্দরবন এখন বাংলাদেশ ও ভারতের মুনাফাখোরদের হাতে খুন হতে চলেছে। জনগনকে নিয়েই আমাদের আন্দোলন- আমারা সেই আন্দোলনে মানুষের অভুতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। এরপরও সরকার সুন্দরবন বিনাশী এ প্রকল্প থেকে সরে না আসলে কঠোর কর্মসূচী গ্রহন করা হবে।
তিনি বলেন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হলে নষ্ট হবে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সুন্দরবনের আশপাশের এলাকার প্রায় দুই কোটি মানুষ। সরকারের উচিৎ দেশ ও জনগনের ক্ষতির কথা বিবেচনা করে এ প্রকল্প বাতিল করা।

Print Friendly, PDF & Email