বন্যার কারণে খাদ্য ঘাটতি হলেও তা মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত: খাদ্যমন্ত্রী

0
505
blank
blank

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে সৃষ্ট বন্যার কারণে খাদ্য ঘাটতি হলেও তা মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, গেল শতকের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যাটি হয় ১৯৯৮ সালে। সে সময় শেখ হাসিনা সরকার দারুণভাবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে। একইভাবে এবারও এই সরকার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আয়োজিত স্বাস্থ্যসম্মতভাবে কোরবানির মাধ্যমে জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তৃতায় কামরুল ইসলাম আরো বলেন, অনেক পত্র-পত্রিকায় দেখছি সরকারের নাকি বন্যা মোকাবিলায় কোনো পদক্ষেপ নেই, এটা ডাহা মিথ্যা কথা। সরকার বন্যা মোকাবিলায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রিপোর্ট করতে হবে। এতে আমরা আরও সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারব।

দেশে খাদ্য ঘাটতি রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে কামরুল ইসলাম বলেন, দেশে কোনো ধরনের খাদ্য সংকট নাই। সরকার খাদ্য আমদানি করছে বন্যাপরবর্তী সমস্যার কথা চিন্তা করে। বর্তমানে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আগাম ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই জিটুজি (সরকার টু সরকার) পদ্ধতিতে চাল ও গম আমদানি করা হচ্ছে। ভিয়েতনাম থেকে আড়াই লাখ মেট্রিক টন চাল এসেছে, কম্বোডিয়া থেকেও আসছে। আরও অনেক দেশ থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে চাল ও গম আমদানি করা হবে।

চালের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা শুধু ভোক্তাদের কথা ভাবছেন। কিন্তু যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ধান উৎপাদন করছেন সেই সব চাষির কথা ভাবছেন না। শুধু ভোক্তার কথা চিন্তা করা ঠিক নয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ধান উৎপাদনে চাষিদের অনেক টাকা খরচ হচ্ছে এটা তুলে ধরা দরকার। চালের দাম বৃদ্ধিতে ভোক্তার পাশাপাশি উৎপাদকদের কথাও লেখা উচিত বলে আমি মনে করি।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তর টিভির পরিচালক (নিউজ অ্যান্ড অপারেশন) সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার জাতীয় টিম লিডার এ কে এম নুরুল আফসারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।